মহাকাশের রহস্য সংকেত

মহাকাশের রহস্য সংকেত। মহাকাশ রহস্য । মহাকাশ তত্ত্বের আবিষ্কারক কে। বিগ ব্যাং কোথায় সংঘটিত হয়েছিল।বিগ ব্যাং এর সময় কত

মহাকাশের রহস্য সংকেত
মহাকাশের রহস্য সংকেত। মহাকাশ রহস্য । মহাকাশ তত্ত্বের আবিষ্কারক কে। বিগ ব্যাং কোথায় সংঘটিত হয়েছিল।বিগ ব্যাং এর সময় কত


আমাদের এই মহাবিশ্ব বেশ অদ্ভুত আর রহস্যে ঘেরা। পৃথিবী নামের গোল বলের উপরিভাগে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন রকমের গাছপালা, আর চলে-ফিরে বেড়াচ্ছে প্রাণীরা। প্রায় গোলাকৃতির এই বলের ওপর পাহাড় আছে, আছে সমুদ্র। আবার এই বল মানে পৃথিবীর বাইরের দুনিয়া তো আরও জটিল।


আমরা সবে মাত্র চাঁদ পর্যন্ত পাদর্পন করতে পেরেছি এবং ভীন গ্রহের প্রানির খোঁজে (Probes) ভোয়েজার ১ (Voyager 1) সবে মাত্র আমাদের সৌর জগৎ এর গন্ডি পার করেছে। এবং এখন পর্যন্ত আমরা Deep Space সম্মন্ধে যা জেনেছি তার সব টুকুই টিলিস্কোপের মাধ্যমে দেখে এবং Space থেকে পৃথিবীতে পতিত বিভিন্ন বস্তু যেমন উল্কাপাত থেকে।


অনেকে বলে থাকেন, এটি এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণী ,কিন্তু এটাও একটা রহস্যময় ঘটনা, আবার অনেকে বর্ণনা দিয়ে থাকেন, এটি স্যাটেলাইট এর ধ্বংসাবশেষ। তবে গবেষণায় উঠে এসেছে,এটি কেন রহস্যময় ,বিজ্ঞানীরা যার সমাধান এখনো খুঁজছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিন।


কৃষ্ণ গহবর (Black Holes) >

ব্ল্যাক হোল হলো একটি চূড়ান্ত মহাজাগতিক চোরাবালি । ব্ল্যাক হোল গঠিত হয় যখন একটি বড় নক্ষত্র ভেঙ্গে একটি ক্ষুদ্র অঞ্চলে তীব্র মাধ্যাকর্ষণ তৈরি করে, এমনকি পার্শ্ববর্তী আলো পর্যন্ত চুষে নেয়।

এর অর্থ হল, যদিও আমরা একটা ধারনা পেয়েছি কিভাবে ব্ল্যাক হোল কাজ করে, আমরা এখনও বাস্তবে একটিও দেখতে পাইনি কারণ এদের টেলিস্কোপে দেখা যায় না, বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় বিকিরণ, আলো বা এক্স-রে যাহ কিছুই এদের সামনে আসুক তা চুষে নেয়। আমরা শুধু আন্দাজ করতে পারি ব্ল্যাক হোলের ভিতরটা দেখতে কেমন।


The Giant Void >

Black Hole এর বিপরিতে, Giant Void মহাকাশে কোন গহ্বর না – তার বদলে এটি একটি অদ্ভুদ রকমের ফাঁকা অন্চল, এখানে কোন Matter ও নেই Dark Matter ও নেই। এবং এটি ব্ল্যাক হোল থেকে ভিন্ন, আলো এই অদ্ভুদ ফাঁকা/শুন্যতার ভিতর দিয়ে অতিক্রম করতে পারে, যদিও বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এতে ডার্ক এনার্জি রয়েছে। এটি মহাকাশে একমাত্র Void বা শুন্যতা নয়, যদিও এটি সবচেয়ে বড়, যার আনুমানিক ব্যাস ১.৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ।


ডার্ক ম্যাটার >

Dark Matter এখনও একটি রহস্য, কিন্তু আমরা এটির উপর নির্ভর করছি মহাবিশ্বের কিছু অজানা তথ্য জানার জন্য। Cosmologists রা বিশ্বাস করেন যে মহাবিশ্বের অন্তত পক্ষে ২৭% হলো Dark Matter. মহাবিশ্বের ডার্ক ম্যাটার সমুহের উৎপত্তি আদিম ব্ল্যাক হোল (primordial black holes) থেকে।

ব্রহ্মাণ্ডের ২৭% ডার্ক ম্যাটার দিয়ে তৈরি বলে ধারনা করা হয়, কিন্তু ব্রহ্মাণ্ডের বেশিরভাগই ডার্ক এনার্জি দিয়ে তৈরি, যা আমাদের চারপাশের সব কিছুর প্রায় ৬৮%। আমাদের চারপাশে যেসব ম্যাটার দেখি তা ব্রহ্মাণ্ডের মাত্র ৫%।


ডার্ক এনার্জি >

ডার্ক ম্যাটারের মত আমরা ডার্ক এনার্জি সম্পর্কেও তেমন কিছু জানি না, কিন্তু বর্তমানে অনুমান করা হয় যে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ বৃদ্ধির পিছনে ডার্ক এনার্জির ভুমিকা আছে। (যদিও ডার্ক ম্যাটার সম্প্রসারণকে ধীর করে)।

Dark Matter এবং Energy সম্পর্কে আমরা ধারনা পাই Cosmic Microwave Background থেকে। Big Bang এর পর পরই (৩৮০,০০০ বছর) মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ এর ফলে যখন হাইড্রোজেন পরমাণু প্রথম গঠিত হয়।

২২০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে সত্যিই আকর্ষণীয় কিছু একটা আছে, এবং এটা আমাদের পুরো ছায়পথ (Galaxy) কে তার দিকে টেনে নিচ্ছে ।


ডার্ক ম্যাটার >

Dark Matter এখনও একটি রহস্য, কিন্তু আমরা এটির উপর নির্ভর করছি মহাবিশ্বের কিছু অজানা তথ্য জানার জন্য। Cosmologists রা বিশ্বাস করেন যে মহাবিশ্বের অন্তত পক্ষে ২৭% হলো Dark Matter. মহাবিশ্বের ডার্ক ম্যাটার সমুহের উৎপত্তি আদিম ব্ল্যাক হোল (primordial black holes) থেকে।

ব্রহ্মাণ্ডের ২৭% ডার্ক ম্যাটার দিয়ে তৈরি বলে ধারনা করা হয়, কিন্তু ব্রহ্মাণ্ডের বেশিরভাগই ডার্ক এনার্জি দিয়ে তৈরি, যা আমাদের চারপাশের সব কিছুর প্রায় ৬৮%। আমাদের চারপাশে যেসব ম্যাটার দেখি তা ব্রহ্মাণ্ডের মাত্র ৫%।


রহস্যময় রেডিও সিগন্যাল: >

দূর কোনও গ্রহমণ্ডল থেকে ভেসে আসছে রহস্যময় সংকেত। কানাডার একটি টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সেই মিলিসেকেন্ডের রেডিও বার্তা। সেই বার্তা ঠিক কী ধরনের বা ঠিক কোথা থেকে আসছে তা জানা সম্ভব হয়নি।

এফআইবি নামে পরিচিত ১৩টি দ্রুত রেডিও সংকেতের এই সংকেতটি বারবার আসছে। তা আসছে পনেরো কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে। এর আগেও আরেকটি টেলিস্কোপে এমন সংকেত ধরা পড়েছিল।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এখন এই মহাকাশ রহস্য উন্মোচনে ব্যস্ত। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার চাইম পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চারটি ১শ মিটার লম্বা টেলিস্কোপ আছে, যা দিয়ে পুরো উত্তর আকাশ প্রতিদিন পর্যবক্ষণ করা হয়। এখানেই ১৩টি রেডিও সিগন্যাল পাওয়া গেছে। এই দ্রুতগতির রেডিও সংকেতগুলো ৭শ মেগাওয়াটের। আবার কানাডায় রেকর্ড করা কিছু সংকেত ৪শ মেগাওয়াটেরও।


এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ৬০টি দ্রুতগতির রেডিও সংকেত পেয়েছেন। তার মধ্যে দুটি বারবার এসেছে। এক দলের ধারণা, হয়তো খুব বেশি চৌম্বক শক্তি সম্পন্ন একটি নিউট্রন তারা দ্রুগতিতে ঘুরছে অথবা দুটি নিউট্রন তারা একে অপরের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে।

তবে অন্য আরেক দলের মতে, এটা ভিনগ্রহের প্রাণির মহাকাশযান থেকে পাঠানো সংকেত। আরও সংকেত আসবে বলেও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। যত সংকেত আসবে ততই জানার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করেন তারা।


বন্ধুরা আপনাদের কেমন লাগলো,সেটি কমেন্টের মাধ্যমে জানান,ভিডিওটি ভালো লাগলে, একটি লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। নিত্যনতুন, রহস্য রোমাঞ্চ ভরা তথ্যবহুল ভিডিও পেতে, বেল আইকন ক্লিক করে রাখুন।  Subscribe Now


মানুষ সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে জানুন